মালয়েশিয়া সরকার তাদের দেশে ২৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭৫৬ জন বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য কলিং ভিসা পদ্ধতিতে ব্যাপক নিয়োগ কার্যক্রম চালু করেছে। এই কার্যক্রমে বাংলাদেশ থেকে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি এবং ২৫০টি সাব-এজেন্সি কর্মী পাঠানোর অনুমতি পেয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে কতজন যেতে পারবেন?
মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান সরকার-থেকে-সরকার (G2G) চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৩০,০০০ থেকে ৪০,০০০ জন কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ দেশ-ভিত্তিক নির্দিষ্ট কোটা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি।
কোন কোন সেক্টরে কর্মী নেওয়া হবে?
- কৃষি, বাগান ও খনি — ১০টি উপ-সেক্টর
- ম্যানুফ্যাকচারিং ও নির্মাণ
- সেবা খাত (হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা)
আবেদন প্রক্রিয়া
- শুধুমাত্র বোয়েসেল ও BMET-অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করুন
- মালয়েশিয়া হাই কমিশন, ঢাকায় পাসপোর্টের মূল ও ফটোকপি জমা দেওয়া আবশ্যক
- সমস্ত আর্থিক লেনদেন পে-অর্ডারের মাধ্যমে করুন — নগদ গ্রহণযোগ্য নয়
- সর্বশেষ আপডেটের জন্য brms.boesl.gov.bd ও probashi.gov.bd নিয়মিত দেখুন
সাবধানবার্তা
মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো নিয়ে প্রতারণার অনেক অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ হাই কমিশন, কুয়ালালামপুর বিশেষভাবে সতর্ক করেছে — অননুমোদিত মধ্যস্বত্বভোগী বা এজেন্টের মাধ্যমে আবেদন করবেন না। বোয়েসেলের কোনো শাখা বা প্রতিনিধি বাংলাদেশের অন্য কোথাও নেই।
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪ | দ্য ডেইলি স্টার
