দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, ২০২৬ সালে ই-৯ (E-9) ভিসার মোট কোটা ৮০ হাজারে নামানো হয়েছে — যা ২০২৪ সালের ১ লাখ ৬৫ হাজার থেকে টানা দ্বিতীয় বছর হ্রাস। ২০২৫ সালে ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার। বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশ এই ভিসার আওতাভুক্ত।
কোটা তিন বছরে কতটা কমেছে
- ২০২৪: ১,৬৫,০০০ ই-৯ ভিসা
- ২০২৫: ১,৩০,০০০ ই-৯ ভিসা
- ২০২৬: ৮০,০০০ ই-৯ ভিসা (৩৯% হ্রাস)
খাত ভিত্তিক ২০২৬ বরাদ্দ
- উৎপাদন শিল্প (Manufacturing) — ৫০,০০০ স্লট
- কৃষি ও পশুপালন (Agriculture) — ১০,০০০ স্লট
- মৎস্য (Fisheries) — ৭,০০০ স্লট
- নির্মাণ (Construction) — ২,০০০ স্লট
- সেবা (Services) — ১,০০০ স্লট
- ফ্লেক্সিবল রিজার্ভ — ১০,০০০ স্লট
কোরিয়া সরকারের ব্যাখ্যা
কোটা কমানোর কারণ হিসেবে সরকার বলেছে, কোভিড-১৯ পরবর্তী শ্রমের চাহিদা কমেছে এবং উৎপাদন ও নির্মাণ খাতে শূন্যপদ কমে এসেছে। মহামারি-পরবর্তী সাময়িক চাহিদা শেষ হওয়ায় কোটা স্বাভাবিক পর্যায়ে নামানো হচ্ছে।
বাংলাদেশিদের জন্য কী অর্থ বহন করছে
বাংলাদেশ ই-৯ ভিসার ১৭টি যোগ্য দেশের একটি। বাংলাদেশের জন্য প্রতি বছর আলাদা কোটা নির্ধারণ হয় — ২০২৬ সালে বাংলাদেশের জন্য EPS কোটা ১০,০০০ (যা পূর্ববর্তী পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে)। মোট কোটা কমলেও বাংলাদেশের বরাদ্দে বিশেষ পরিবর্তন হয়নি।
সিউলের বাইরে বাড়তি সুযোগ
সরকার স্থানীয় শ্রম সংকট কমাতে সিউলের বাইরের কোম্পানিগুলোকে নির্ধারিত কোটার ৩০% বেশি ই-৯ কর্মী নিয়োগের অনুমতি দিয়েছে (মেট্রোপলিটন এলাকায় সীমা ২০%)। এটি গ্রামীণ ও শিল্পাঞ্চলে কাজের সুযোগ বাড়াবে।
আবেদনকারীদের পরামর্শ
- EPS-TOPIK পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়াই প্রথম শর্ত — নিয়মিত প্রস্তুতি নিন
- বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (BKTTC)-তে ভর্তির সুযোগ নিন
- বিএমইটি ও বোয়েসেলের ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ নিবন্ধনের তথ্য দেখুন
সূত্র: কোরিয়া হেরাল্ড
