সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে বাংলাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে। ১ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ১৮৭টি দেশের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশকে সমর্থন দেন।
কে প্রতিনিধিত্ব করলেন?
জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান সম্মেলনের ভাইস-প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁর পাশে প্রেসিডেন্ট হিসেবে রয়েছেন উরুগুয়ের শ্রম ও সামাজিক নিরাপত্তা মন্ত্রী হুয়ান কাস্তিলো, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টেন কফমান ও আর্জেন্টিনার হেরার্দো মার্তিনেজ আরও দুই ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত।
কী তাৎপর্য?
- বৈশ্বিক স্বীকৃতি: ১৮৭টি দেশের সর্বসম্মত সমর্থন আন্তর্জাতিক শ্রম কূটনীতিতে বাংলাদেশের নতুন অবস্থান নিশ্চিত করেছে।
- শ্রমিক সংস্কারের প্রভাব: সাম্প্রতিক শ্রম আইন সংস্কার, ট্রেড ইউনিয়নের সহজলভ্যতা এবং শ্রমিক কল্যাণে নেওয়া পদক্ষেপ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নত করেছে।
- প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য সুখবর: এই নেতৃস্থানীয় অবস্থান ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক শ্রম চুক্তিতে বাংলাদেশের দরকষাকষির শক্তি বাড়াবে।
আইএলও কী?
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) বিশ্বের শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সর্বোচ্চ বৈশ্বিক ফোরাম, যেখানে প্রতিবছর বিশ্বের সব দেশের সরকার, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা একত্রিত হন। এই সম্মেলনে নীতি নির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক শ্রম মানদণ্ড নির্ধারিত হয় যা বিশ্বের কোটি কোটি শ্রমিককে প্রভাবিত করে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার
