জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি সম্মেলনের ফাঁকে সৌদি আরবের মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী তারিক বিন আব্দুল আজিজ ও বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি উপমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ কর্মী নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেন।
বৈঠকে কী আলোচনা হলো?
- দক্ষ কর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি: সৌদি আরব বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ দিতে আগ্রহী। সৌদি কর্তৃপক্ষ দেশীয়ভাবে অর্জিত দক্ষতার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিরও প্রস্তাব দিয়েছে।
- আরবি ভাষা প্রশিক্ষণ: ভবিষ্যৎ কর্মীদের সৌদি শ্রমবাজারে মসৃণভাবে যুক্ত হতে আরবি ভাষার দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আপগ্রেড: প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমীন প্রস্তাব দেন যে, বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো সৌদি তত্ত্বাবধানে আধুনিকায়ন করা হবে।
- দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা: উভয়পক্ষ শ্রম খাতে সহযোগিতা জোরদারে আশাবাদ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশিদের জন্য কী সুযোগ?
বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ২৫-৩০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত। এই চুক্তির ফলে:
- দক্ষ কর্মীদের (ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, ওয়েল্ডার, এসি টেকনিশিয়ান) জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
- আরবি ভাষাজ্ঞান থাকলে ভিসা পাওয়া এবং উচ্চ বেতনে কাজ পাওয়া সহজ হবে।
- সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিবন্ধিত হলে সৌদিতে সরাসরি চাকরির সুযোগ মিলতে পারে।
কী করবেন এখনই?
- বিএমইটি (BMET)-এর ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করুন এবং কারিগরি দক্ষতার সনদ নিন।
- স্থানীয় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আরবি ভাষা কোর্সে ভর্তি হোন।
- বিওইএসএল (BOESL)-এর মাধ্যমে সরকারি নিয়োগের আপডেট অনুসরণ করুন।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
