মে ২০২৬ সালে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাজারে উল্লেখযোগ্য পুনরুদ্ধার দেখা গেছে। বিএমইটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই মাসে মোট ১ লাখ ৫ হাজার ২১৩ জন কর্মী বিদেশে গেছেন — যা এপ্রিল মাসের তুলনায় ৫২% বেশি এবং বছর পুনরুদ্ধারের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সৌদি আরবের আধিপত্য
মে মাসের কর্মী প্রেরণে সৌদি আরব একক দেশ হিসেবে ৬৬% অংশ দখল করেছে। শুধু সৌদিতেই গেছেন ৬৯ হাজার ৫৬১ জন কর্মী, যা এপ্রিলের ২৮ হাজার ৬৭১ জনের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি।
অন্যান্য গন্তব্য দেশ
- কাতার — ১০ হাজার ৯৭১ জন (দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য)
- সিঙ্গাপুর — উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী
- মালদ্বীপ — পর্যটন খাতে কর্মী
- কুয়েত ও কিরগিজস্তান — অন্যান্য গন্তব্য
স্বাভাবিক হওয়ার কারণ
ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিল মাসে বৈদেশিক কর্মসংস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছিল। এর প্রধান কারণ ছিল ঢাকার সৌদি দূতাবাস কর্তৃক একক ভিসা ধারীদের জন্য বাধ্যতামূলক এটেস্টেশন পুনরায় চালু করা। পেন্ডিং ভিসাগুলো প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হওয়ার পরই কর্মী প্রেরণ স্বাভাবিক গতিতে ফিরে এসেছে।
গত বছরের তুলনায় অবস্থান
মে ২০২৬-এর সংখ্যা পুনরুদ্ধার দেখালেও তা এখনো গত বছরের একই মাসের তুলনায় প্রায় ২০% কম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌদি শ্রমবাজারে ভিসা জালিয়াতি দমনে কড়াকড়ি ও বাজার কেন্দ্রীভূতকরণ এই ঘাটতির পেছনে দায়ী।
করণীয় ও পরামর্শ
- সৌদি আরবে যেতে আগ্রহীরা বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করুন
- ভিসা এটেস্টেশন সম্পর্কিত যেকোনো আপডেটের জন্য বিএমইটি বা প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অনুসরণ করুন
- কাতার, সিঙ্গাপুর ও কুয়েতেও সুযোগ বাড়ছে — বিকল্প গন্তব্যে নজর রাখুন
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
