দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ইপিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন কিন্তু ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষায় আছেন — এমন প্রায় ১২,০০০ বাংলাদেশি কর্মী সম্প্রতি বিওইএসএলের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। ২০২২ ও ২০২৩ সালের ব্যাচের এই কর্মীরা বলছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরেও তাঁদের কোরিয়া পাঠানো হচ্ছে না।
কী দাবি করছেন তারা?
- "অটো রোস্টার" পদ্ধতি চালু করার দাবি — যাতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা প্রাধান্য পান
- ২০২২-২৩ ব্যাচের ফাইলগুলো কোরিয়ান নিয়োগকর্তাদের কাছে পাঠানোর একাধিক সুযোগ দেওয়া
- বিওইএসএল ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি, ঘুষ ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তদন্ত করা
- নতুন ইপিএস সার্কুলার বন্ধ রাখা যতক্ষণ না পুরনো ব্যাচকে পাঠানো হয়
সরকারের প্রতিক্রিয়া
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি বৈঠকে বলেছেন: "কোরিয়া ১৬টি দেশের জন্য একই নিয়ম অনুসরণ করে — বাংলাদেশ আলাদা সুবিধা পাবে না। আমরা চেষ্টা করব, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে পারছি না।"
কোরিয়া ইপিএস কোটার বর্তমান অবস্থা
- ২০২৪ সালে মোট ই-৯ ভিসার কোটা ছিল ১,৬৫,০০০
- ২০২৫ সালে কমে হয় ১,৩০,০০০
- ২০২৬ সালে আরও কমে মাত্র ৮০,০০০ — টানা দ্বিতীয় বছর হ্রাস
- বাংলাদেশের বরাদ্দ প্রায় ১০,০০০
আবেদনকারীদের করণীয়
যারা ইপিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং এখনো অপেক্ষায় আছেন, তাদের উচিত:
- বিওইএসএলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট brms.boesl.gov.bd নিয়মিত পরীক্ষা করা
- ইপিএস স্কোরের মেয়াদ পরীক্ষা করুন — স্কোর মাত্র ২ বছর বৈধ থাকে
- মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নতুন সিবিটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে
