বাংলাদেশে জুলাই ২০২৫ থেকে মে ২০২৬ পর্যন্ত মাত্র ১১ মাসে ৯ লাখ ৩৩ হাজারেরও বেশি কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছেন। ৮ জুন, ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর। একই সাথে সরকার আগামী অর্থবছরে ১৪ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বলেও তিনি জানান।
সংসদে জানানো মূল তথ্য
- জুলাই ২০২৫ — মে ২০২৬: মোট ৯,৩৩,০০০+ কর্মী বিদেশে গেছেন
- আগামী অর্থবছরের (২০২৬-২৭) লক্ষ্যমাত্রা: ১৪ লাখ কর্মী
- মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সাথে শ্রমবাজার পুনরুদ্ধারে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে
- সৌদি আরবের পরে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার
কাতারে নতুন সুযোগ
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সংসদকে জানান, ১৮ মে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত যৌথ কমিটির বৈঠকে কাতার সুনির্দিষ্ট পাঁচটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে নিম্নলিখিত পেশার কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে:
- ইলেকট্রিশিয়ান
- প্লাম্বার
- এসি টেকনিশিয়ান
- ওয়েল্ডার
এই পেশায় আগ্রহীরা এখনই দেশের সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হয়ে দক্ষতার সনদ নিতে পারেন।
জাপানে ১ লাখ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা
জাপানে আগামী ৫ বছরে ১ লাখ কর্মী পাঠানোর চুক্তি ইতোমধ্যে সই হয়েছে। একটি জাপান সেল মন্ত্রণালয়ে গঠন করা হয়েছে। আইএম জাপানের সাথে চুক্তির আওতায় বিনা খরচে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন পাঠানো হচ্ছে এবং আরও সাতটি জাপানি কোম্পানির সাথে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
ড্রাইভার প্রশিক্ষণ প্রকল্প
দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ১ লাখ ড্রাইভার প্রশিক্ষণের একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে দক্ষ ড্রাইভারের চাহিদা সবসময়ই বেশি।
বর্তমান শ্রমবাজার চিত্র
বাংলাদেশ বর্তমানে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, রোমানিয়া, সেশেলস, পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশে কর্মী পাঠাচ্ছে। মোট ১৮টি দেশের সাথে MoU বা আনুষ্ঠানিক চুক্তি রয়েছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার
