ইউরোপের বলকান অঞ্চলের দেশ কসোভো বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য একটি নতুন এবং সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে উঠে আসছে। ৩ জুন ২০২৬ তারিখে কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম-এর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং শ্রম অভিবাসন সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন।
চমকপ্রদ বৃদ্ধি: ৪ থেকে ৩,৯৭৪ পারমিট
- ২০২১ সালে: মাত্র ৪টি ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হয়েছিল
- ২০২৩ সালে: ৭০০-এরও বেশি পারমিট ইস্যু
- ২০২৪ সালে: ৩,৯৭৪টি পারমিট ইস্যু — মাত্র তিন বছরে প্রায় হাজার গুণ বৃদ্ধি
- বাংলাদেশিরা তুর্কিদের পরে কসোভোতে দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্থায়ী কর্মী গোষ্ঠী হিসেবে স্থান পেয়েছে
কোন কোন খাতে সুযোগ রয়েছে?
- অবকাঠামো উন্নয়ন ও নির্মাণ কাজ
- বয়স্ক সেবা (Elderly Care Services)
- প্রযুক্তিগত কারিগরি পেশা (Technical Trades)
কসোভো কেন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ?
কসোভো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হলেও বলকান অঞ্চলে এর অবস্থান এবং ইইউ সদস্যপদের আকাঙ্ক্ষা একে ইউরোপীয় বাজারের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত করেছে। বৈঠকে কসোভোর রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের ৬৫% জনগোষ্ঠী ৩৫ বছরের নিচে — এই তরুণ শ্রমশক্তি কসোভোর শ্রমবাজারের জন্য আদর্শ।
আগামী পদক্ষেপ কী?
উভয় দেশ শ্রম অভিবাসন সম্প্রসারণে আনুষ্ঠানিক কাঠামো তৈরির বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। আগ্রহী কর্মীদের পরামর্শ হলো বিএমইটি ও বিওইএসএল-এর মাধ্যমে নিবন্ধন করা এবং দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ নেওয়া।
সূত্র: MENAFN / বাংলাদেশ মনিটর
